• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

নবাবগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের মতিহারা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শারীর চর্চা শিক্ষক আতিকুর রহমান নীতিমালা উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক পদে এসে নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী শিক্ষা মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ পাঠিয়েছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ ও তথ্যনুসন্ধানে জানা যায়, অতিকুর রহমান ১৯৯০ সালে এইচএসসি সনদে ওই বিদ্যালয়ে শরীরচার্চা পদে চাকুরীতে যোগদান করেন। ওই পদে চাকুরীরত  অবস্থায় নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ডিগ্রী পাশের সনদ লাভ করে উচ্চতর বেতন স্কেলের আওতাভূক্ত হয়। অতপর ভবিষ্যতে প্রধান শিক্ষক হওয়ার মোহে বিপিএড না করে বিএড এর সনদ লাভ করে এবং পুররায় উচ্চতর বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত হয়। প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জল হোসেন ২০০৬ সালে অবসরে গেলে নিয়মানুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব লাভের কথা, কিন্তু আতিকুর রহমান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে প্রভাবিত করে সহকারী প্রধান শিক্ষকের অবসর গ্রহনের সময় অক্টোম্বর/২০০৮ সাল পর্যন্ত মোফাজ্জল হোসেনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ধরে রাখেন। যাতে সহকারী প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে আসতে না পারেন। অক্টোবর/২০০৮ সালে সহকারী প্রধান শিক্ষক আঃ সালামের অবসর গ্রহনের সুযোগে আতিকুর রহমান কয়েকজন জেষ্ঠ্য শিক্ষকে ডিঙ্গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর দায়িত্ব গ্রহন করেন। ফেব্রুয়ারী/২০১০ সালে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মেয়াদীউর্ত্তীণ হলে গঠিত হয় এডহক কমিটি। এডহক কমিটিকে প্রভাবিত করে আতিকুর রহমান গোপনে স্থায়ী কমিটি গঠন করেন। কমিটি এলাকাবাসীর গোপনে কাগজ কলমে নির্বাচনী বোর্ডের মাধ্যমে আতিকুর রহমানকে ০৪ জুলাই/২০১০ প্রধান শিক্ষক পদে নির্বাচিত দেখায়। প্রধান শিক্ষকের পদে আতিকুর রহমান ২০১০ সাল হতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বানিজ্য করে ১০ জন শিক্ষক নিয়োগ করেন। নিয়োগ করা ওই ১০ জনের নিকট হতে বিদ্যালয় উন্নয়নের নামে অলিখিত ভাবে প্রায় ১ কোটি টাকা আদায় করেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি ও মাঠভরাটের নামে কাবিখার টাকা উত্তোলন, প্রতি বছর এসএসসি ও জেএসসি পরিক্ষার ফরমপুরনের অতিরিক্ত টাকা আদায় করে ভূয়া ভাউচার দেখিয়ে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। আতিকুর শিক্ষকতার পাশাপাশি ২ বার ইউপি সদস্য হয়।  একই সঙ্গে শিক্ষকতার বেতনভাতা ও ইউপির সম্মানী ভাতা ভোগ করেন। ফেনসিডিল পাচারের অপরাধে আতিকুর রহমান ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হয়। ২২ নভেম্বর/২০১৬ দিনাজপুর জেলা বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পন করে ২৯ দিন করারা ভোগ করা অবস্থায় হাইকোটে আপিল করেন। কারাভোগের ২৯ দিন মেডিকেল ছুটি দেখিয়ে বিদ্যালয়ের বেতন ভাতা উত্তোলন করেন। বর্তমানে অভিযোগ গুলো ধামাচাপা দিতে স্কুলের ফাইলপত্র সংশোধনে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি অভিযোগকারিদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ